Skip to main content

Featured

বুধবার থেকে যমুনা রেলসেতুর ওপর দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হবে, বঙ্গবন্ধু সেতুতে সার্ভিস শেষ হবে।

বুধবার থেকে যমুনা রেলসেতুর ওপর দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হবে, বঙ্গবন্ধু সেতুতে সার্ভিস শেষ হবে। নতুন যমুনা রেলসেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে, ৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে সেতুটি দিয়ে সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার গতিতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। citeturn0search1 রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেতুটি দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হলে উত্তরবঙ্গের সাথে ঢাকার রেল যোগাযোগের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। citeturn0search2 বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩৮টি ট্রেন ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করছে, যা সময়ের অপচয় ও শিডিউল বিপর্যয়ের কারণ হচ্ছে। নতুন রেলসেতু চালু হলে দুই লাইনে দ্রুত গতিতে মালবাহীসহ ৬৮টি ট্রেন চলাচল করতে পারবে। citeturn0search3 সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে ১৮ মার্চ ২০২৫ তারিখে। citeturn0search2 তবে, বঙ্গবন্ধু সেতুতে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হবে কিনা, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

উভের ড্রাইবারের মেসেজে কি লেকা ছিল

 উভের ড্রাইবারের মেসেজে কি লেকা ছিল


ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক মজার ও অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প রয়েছে। এখানে কিছু উল্লেখযোগ্য গল্প তুলে ধরা হলো:

১. ড. এপিজে আবদুল কালাম: “জনগণের রাষ্ট্রপতি”

ড. এপিজে আবদুল কালাম, যিনি ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সহজ-সরল সম্পর্কের জন্য পরিচিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে, একবার এক ছোট্ট মেয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিল, “আপনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরও কি স্বপ্ন দেখেন?” ড. কালাম হাসিমুখে জবাব দিয়েছিলেন, “হ্যাঁ, আমি সবসময় ভারতের উন্নতির স্বপ্ন দেখি।”

তাঁর এক বিখ্যাত ঘটনা হলো যখন তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে থাকাকালীন একটি পরিবারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন যাদের সন্তান তার অনুপ্রেরণা পেয়েছিল। এটি দেখায় যে, তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ ও সংবেদনশীল ছিলেন।


২. রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ ও তার বিনম্রতা

ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি, ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ, তাঁর নম্রতা ও সততার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। একবার তাঁর একজন সহকর্মী তাঁকে বলেছিলেন, "আপনি রাষ্ট্রপতি, আপনি নিজের জন্য কিছুটা বিলাসিতা দাবি করতে পারেন।" কিন্তু ড. প্রসাদ হেসে বলেছিলেন, "আমি ভারতের সাধারণ জনগণের প্রতিনিধি। তাঁদের জীবন যেমন, আমার জীবনও তেমন হওয়া উচিত।"


৩. ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের শিক্ষক দিবস

ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ ছিলেন ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি এবং একজন মহান দার্শনিক। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় শিক্ষকতা পেশাকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করতেন। তাঁর ছাত্ররা যখন তাঁর জন্মদিন উদযাপন করতে চেয়েছিল, তখন তিনি বলেন, “আমার জন্মদিন নয়, বরং শিক্ষক দিবস উদযাপন করুন।” এরপর থেকেই তাঁর জন্মদিন (৫ সেপ্টেম্বর) শিক্ষক দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।


৪. রাষ্ট্রপতি ভি.ভি. গিরি ও তাঁর সাহসী সিদ্ধান্ত

রাষ্ট্রপতি ভি.ভি. গিরি ভারতের চতুর্থ রাষ্ট্রপতি ছিলেন। একবার তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষতার উদাহরণ দিয়েছিলেন। তিনি সংসদে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে ছিল। এতে তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে রাষ্ট্রপতি পদ সবসময় দেশ ও সংবিধানের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।


৫. প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দৃঢ় নেতৃত্ব

ভারতের ১৩তম রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার জন্য পরিচিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরেও তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন এবং সংবিধানের রক্ষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সময়কালে, তিনি বলেছিলেন, "আমার কাজ হলো ভারতের মানুষের আস্থা বজায় রাখা এবং দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে সুরক্ষিত রাখা।"

এই গল্পগুলো দেখায় যে, ভারতের রাষ্ট্রপতিরা শুধু রাষ্ট্রের প্রধান নন, বরং দেশের জন্য নিবেদিত একেকজন অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব।